রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন

হুমকির মুখে আইসক্রিম ও বেভারেজ শিল্প

রিপোটারের নাম / ১৩৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২০

বর্তমান করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এ প্রায় অচলাবস্থা নেমে এসেছে দেশের আইসক্রিম ও বেভারেজ শিল্পে। টানা সাধারণ ছুটিতে বেচাকেনা ২০ থেকে ৩০ শতাংশে নেমে আসার পাশাপাশি বিক্রি না হওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বাজার থেকে তুলতে বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কা করছেন এই খাত সংশ্লিষ্টরা। এতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে সরকারের প্রণোদনা ও করসুবিধা চায় প্রতিষ্ঠান গুলো।

আইসক্রিম উৎপাদনে জড়িত দেশীয় ৮টি কারখানার বার্ষিক বাজারের আকার প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। এ খাতে বিনিয়োগ প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। তীব্র গরমের কারণে এইসব পণ্যের চাহিদা বাড়ে গ্রীষ্মকালে। কিন্তু চলতি বছর বেচাবিক্রির সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে করোনার প্রকোপে।
ইগলু আইসক্রিম অ্যান্ড মিল্ক ইউনিটের সিনিয়র ম্যানেজার বলেন এই পরিস্থিতিতে আমরা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকার একটা ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছি। এবং শুধু কোম্পানিগুলো না, এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অনেক ছোট ছোট ব্যবসা আছে। তাদের ব্যবসাও শূন্যের কোটায়।

একই অবস্থা কার্বোনেটেড বেভারেজ, জুস, লাচ্ছি ও লাবানের মতো পানীয় দ্রব্যের। স্থানীয় ও বহুজাতিক মিলে ১৩টি প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড দেশের বাজারে এসব পণ্য বাজারজাত করে। যেখানে বিনিয়োগের পরিমাণ কমপক্ষে ১২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু মূল মৌসুমেই করোনার হানায়, মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ছয় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হারিয়েছে এ খাত।
আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ ভাগ ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রণোদনা যদি সঠিক সময়ে পাওয়া যায় তাহলে শিল্প টিকে থাকবে।
উৎপাদনকারীরা বলছেন, গত কয়েক বছরে দেশে আইসক্রিম ও কোমলপানীয়র বাজার বেড়েছে গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ করে। আর
প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রতি বছর রমজানে ইফতার আয়োজনে পানীয় দ্রব্যের যে বাড়তি চাহিদা থাকতো, চলতি বছর তা নেমে আসে ৩০ শতাংশে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ