শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হচ্ছে না : শিক্ষামন্ত্রী

রিপোটারের নাম / ১০৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হবে না। এবারের পরীক্ষার্থীরা তাদের জেএসসি ও এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় যে ফল পেয়েছিল তার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করা হবে। ডিসেম্বর মাসে  এ ফল প্রকাশ করা হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আজ দুপুরে এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য একটি পরামর্শক কমিটি করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে আছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব, সদস্য আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাবিদরা। কমিটির সদস্য-সচিব থাকবেন ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান।  

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পরামর্শক কমিটির সুপারিশ পাওয়া যাবে বলে আশা করে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে পারবো।’ 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে দুটি পাবলিক পরীক্ষার ফল রয়েছে। এর ভিত্তিতেই করতে হবে মূল্যায়ন। অন্যকিছুতে যাওয়া যাবে না। কেউ হয়তো বলেতে পারেন টেস্ট পরীক্ষা হয়েছে, এবং সেই ফলগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাতে রয়েছে। সেখানেও তো নানা ধরণের সমস্যা থাকতে পারে। 

গত বছর যারা উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় এক বা এক বিষয়ে ফেল করেছে তাদের মূল্যায়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদেরও বিগত জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। তারাও তো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন। 

এবারের উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের ফল তৈরিতে জেএসসি ও এসএসসির ফলের কত শতাংশ হিসেব করা হবে,  দৈনিক শিক্ষার রিপোর্টার রুম্মান তুর্য প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়টি পরামর্শক কমিটির মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমাদের হাতে সময় আছে।’ 

যারা এসএসসির পর উচচ মাধ্যমিকে এসে বিভাগ পরিবর্তন করেছেন তাদের মূল্যায়নের বিষয়েও পরামর্শক কমিটি সুপারিশ করবে।

এবারে ১৩ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী নিবন্ধন করেছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে  এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। 

ভারতে এইচএসসির তিনটি পরীক্ষা নেয়ার পর বন্ধ রয়েছে। হংকংয়ে ও পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আন্তর্জাতিক বেস্ট প্রাকটিস দেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো সমস্যার মুখোমুখি না হয় তা বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ